বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হঠাৎ ২১ হাজার কমেছে


জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ইউএনওদের কাছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার টাকা পাঠাত। ইউএনও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে সেই টাকা জমা দিতেন। কিন্তু এখন সরাসরি মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ভাতার টাকা যাবে।

দেশে বর্তমানে মোট বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৩৩ হাজার। তবে আইনি জটিলতার কারণে ভাতা পেতেন ১ লাখ ৯২ হাজার। এর মধ্য যে ১ লাখ ৭১ হাজারের নাম এমআইএসে যুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বিবেচনা নেওয়া হয়েছে লাল মুক্তিবার্তা, ‘ভারতীয় তালিকা’ ও ‘গেজেট’। নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণের জন্য ৩৩ ধরনের কাগজপত্র রয়েছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধার নামই একেক নথিতে একেক রকম। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামই বিবেচনা নেওয়া হয়। যাঁদের নাম এমআইএসে যুক্ত হয়েছে, তাঁদের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নাম সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

প্রথম আলো গত এক সপ্তাহে ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুর, দিনাজপুর ও কুমিল্লা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁরা বলেছেন, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের ভাতার টাকা এখনো (বৃহস্পতিবার পর্যন্ত) পাননি। এর মধ্যে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, ভাতার টাকা বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাওয়া শুরু করলে তখন বোঝা যাবে কাদের নাম বাদ পড়েছে।



Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here