জলকন্যা কুসুম - অভিনেত্রী কুসুম সিকদার
জলকন্যা কুসুম - অভিনেত্রী কুসুম সিকদার

তিনি হেঁটে চলেন কৌণিক সমুদ্রের ফুটপাত ধরে। প্রাকৃতিক শৈবালের রেশম তাকে স্পর্শ করে। দৃশ্যকল্পে এরকম বহু বৈপ্লবিক চর্চার উপাখ্যান রচনা করতে ব্যস্ত এখন তিনি। বলছি অভিনেত্রী কুসুম সিকদারের কথা।

সর্বশেষ ২০১৮ সালে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। মাঝখানে দুই বছর। এরপর আর কোথাও দেখা যায়নি তাকে। না চলচ্চিত্রে, না নাটকে! বহুদিন পর সদ্য তিনি সামনে এলেন, তাও জলকন্যার পরিচয়ে!

অভিনয়ের বাইরে কুসুমের প্রথম এবং প্রধান কাজ হলো লেখালেখি। গেল দুই বছর অভিনয়ের বাইরে আছেন ঠিকই, কিন্তু সৃষ্টির উন্মাদনায় মত্ত তিনি। গল্প, কবিতার সাথেই এখন বাস তার। সম্প্রতি চ্যানেল আই অনলাইনের ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে তার লেখা ‘জলকন্যা’ শিরোনামে একটি কবিতা। নিজে আবৃত্তি করে ভিডিও করেছেন কুসুম। সেখানে নিজেই হয়েছেন মডেল।

কবিতা পাঠ ও ভিজ্যুয়ালে ভিন্ন ঢংয়ের উপস্থাপনার কারণে দৃষ্টি কেড়েছেন কুসুম। কবিতায় এমন ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ২০১৮ সালের পর আমি কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়াইনি। এবছরব্যাপী তো করোনা ই। তো অক্টোবরের শুরুতে সুমন চিশতির সাথে আমার দেখা, যেহেতু তিনিও লেখালেখির মানুষ- তাই তার সাথে সার্বিক বিষয়ে কথা হয়। এক পর্যায়ে আমাদের আলোচনায় কবিতার ভিডিও শুট করা যায় কিনা, এরকম একটি পরিকল্পনা মাথায় এলো। তো পরিকল্পনা করলেই তো হয় না, তার এক্সিকিউশন দরকার। তারপর শরণাপন্ন হই শ্রদ্ধেয় সাগর ভাইয়ের (ফরিদুর রেজা সাগর)। তার ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় আমাদের কাজটি খুব দ্রুতই হয়ে যায়!

ইফতেখার মুনিমের পরিচালনায় ‘জলকন্যা’র আবহ সংগীত করেন সুজন আরিফ। কুসুম জানালেন, কবিতাটি তিনি রেকর্ড করেছেন আইপ্যাডে। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে রবিবার থেকে চ্যানেল আইয়ের ফেসবুকে দেখতে পারছেন দর্শক।

এদিকে অভিনয় নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়ে কুসুম বলেন, আরো কিছুদিন পড়াশোনা আর লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাই। অভিনয়ের কিছু প্রস্তাব থাকলেও এই মুহূর্তে আমি কাজ করছি না। আগামি একুশে বইমেলাকে টার্গেট করে গল্পের বই করার পরিকল্পনা আছে। এরইমধ্যে দুটো গল্প আছে, আরেকটি গল্প এরমধ্যে হয়ে গেলেই বই করবো।

সর্বশেষ কুসুমের লেখা ‘ছায়াকাল’ নামের একটি দীর্ঘ গল্প ছাপা হয় বাংলা ট্রিবিউনের ঈদুল আযহার ঈদ সংখ্যায়। তারআগে আরো একটি বড় গল্প ডেইলিস্টারের ঈদ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিলো।

 

Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here