কাঁচা মরিচ খেলে আয়ু বাড়ে, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় প্রকাশ

একটি নতুন গবেষণা অনুসারে, কাঁচা মরিচ একটি জীবনদায়ী মশলা হতে পারে। এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এইচএ) জনিয়েছে। তাদের এই গবেষণার বিস্তারিত চলতি সপ্তাহের শেষে ‘বৈজ্ঞানিক সেশনস ২০২০’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে।

প্রাথমিক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, কাঁচা মরিচে প্রচুর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, অ্যান্টিক্যান্সার থাকায় এবং রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে, নিয়মিত এটি খেলে আয়ু বাড়তে পারে। এইএএচএ অনুসারে, এই কারণগুলো কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তির মারা যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। গবেষকরা মরিচ এবং উল্লেখিত রোগগুলোর সাথে সম্পর্কিত ৪ হাজার ৭২৮টি গবেষণা বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। গবেষণায় ৫ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্য রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, চীন এবং ইরানের লোকেরা অন্তর্ভুক্ত ছিরেন। যেসব প্রার্থীরা নিয়মিত মরিচ খেয়েছিলেন তাদের ‘হৃদরোগে মৃত্যুর আপেক্ষিক হার ২৬ শতাংশ, ক্যান্সারে মৃত্যুর আপেক্ষিক হার ২৩ শতাংশ এবং অন্যান্য রোগে মৃত্যুর হার ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।’

প্রতিবেদনের সিনিয়র লেখক ডক্টর বো শু বলেছেন, ‘আমরা আগে প্রকাশিত গবেষণাগুলো বিশ্লেষণ করতে যেয়ে অবাক হয়ে দেখেছি যে, নিয়মিত মরিচ খাওয়ার মাধ্যমে সিভিডি, ক্যান্সারসহ যে কোন রোগে মৃত্যুর সামগ্রিক ঝুঁকি হ্রাস পায়।’ তিনি বলেন, ‘এটি বোঝায় যে, খাদ্যভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।’

যদিও মরিচ খাওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগ সংক্রান্ত ব্যাধি বা ক্যান্সার থেকে মারা যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায় বলে দেখা যাচ্ছে, তবে এটি নিশ্চিত করে বলা যায় না যে মশলাদার ফলগুলো দীর্ঘায়িত জীবনে অবদান রাখবে বা এর জন্য দায়ী হবে। ডক্টর বো আরও বলেন, ‘প্রাথমিক গবেষণাগুলো নিশ্চিত করার জন্য আরও গবেষণা, বিশেষত ব্যাপক ও নিয়ন্ত্রিত অধ্যয়নের প্রয়োজন।’ গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মরিচ খাওয়ার হার পরিবর্তনশীল ছিল, তাই স্বাস্থ্য সুবিধা পাওয়ার জন্য ঠিক কত পরিমাণ খাওয়ার প্রয়োজন তা পরিষ্কার নয়। সূত্র: ফক্স নিউজ।

Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here