করোনার টিকায় অগ্রাধিকার ও সুশাসনের প্রতিফলন - বাংলা বার্তা


একটি দেশের শাসনব্যবস্থা কতখানি মানবিক গুণে সমৃদ্ধ তাও এ থেকে বোঝা যাবে; যেমন ঝুঁকির মুখে থাকা স্বাস্থ্যসেবাদানকারীদের সুরক্ষা, বয়োবৃদ্ধদের সুরক্ষায় সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, ক্ষমতা ও পদ বিবেচনা না করে শুধু করোনার ঝুঁকির বিবেচনায় অগ্রাধিকার নির্ণয় বা করোনার টিকাদানের মতো জরুরি জনস্বাস্থ্যসেবাকে শুধু বাজার অর্থনীতির ওপর ছেড়ে না দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য খাতের যথাযথ দায়িত্ব পালন।
এটি মানুষের বাঁচা-মারার বিষয়; এবং সে কারণেই এ ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি সুশাসনের মাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বা উন্নয়ন-অনুন্নয়নের লক্ষণ বুঝতে গেলে প্রকটভাবে ধরা পড়বে।

২.

এরপর এক মাসের বেশি সময় চলে গেছে। করোনার টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রেও অগ্রগতি ঘটছে। ভারতের সঙ্গে চুক্তির ধরন নিয়েও অনেক আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই গত মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের টিকা আমদানিতে ৪ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিল সরকার। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই বরাদ্দসংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন পায়।

এই সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারে আছেন সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মী, বন্দরের কর্মী, ব্যাংকের কর্মী এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মী। এই তালিকায় আরও রয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, শ্রমঘন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, শ্রমঘন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, এতিমখানা, পরিবহনশ্রমিক বিদেশগামী ও বিদেশফেরত সব ব্যক্তি।





Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here