আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক মো. আশফাক রাজীব হাসান উল্লেখ করেছেন, গত রোববার নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খান স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে মোহাম্মদপুরে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি যখন ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে আসেন, তখন পেছন থেকে গাড়িটি তাঁর মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। তখন তিনি নিজের পরিচয় দেন। তারপরও গাড়ি থেকে নেমে এসে একজন অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান। এরপর রাত ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড সিগন্যালে ওই গাড়ি দাঁড়ায়। তখন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খান ওই গাড়ির জানালায় নক করেন। গাড়ির সবাই তখন নেমে আসেন। তখন পুনরায় তিনি নিজের পরিচয় দেন। তারপরও সবাই মিলে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে অতর্কিতভাবে হামলা করেন। লাথি মেরে রাস্তায় ফেলে দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় নৌবাহিনীর কর্মকর্তার স্ত্রী তাঁর স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও ধাক্কা দেন। তাঁদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এলাকা ত্যাগ করেন। নৌবাহিনীর কর্মকর্তা মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকলে সাধারণ মানুষ ও সেখানে কর্মরত পুলিশ সদস্য তাঁকে উদ্ধার করেন। ওই সময়ে গাড়ির একজনের ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়। তিনি হলেন মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এ বি সিদ্দিক। এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে এই দুই আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার বলে উল্লেখ করেন।



Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here