জুমবাংলা ডেস্ক: রাজধানীর চকবাজার এলাকার ২৬ দেবীদাস লেন। ‘চাঁন সরদার দাদা বড়ি’ নামে পরিচিত ৯ তলা সেই বাড়ি দেখে মনে হবে যেন রাজপ্রাসাদ। যেখানে থাকতেন সরকারদলীয় এমপি হাজী মো. সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম।

এতদিন এ বাড়িটি নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ ছিল না। কারণ নিজস্ব নিরাপত্তায় মোড়ানো বাড়িটিতে সাধারণ কারও সেভাবে ঢোকার সুযোগ ছিল না। বাড়িটির কিছু অংশে ঢুকলেও তাতেও প্রয়োজন হতো ফ্রিঙ্গার প্রিন্টের।

সোমবার অভিযানকালে বাড়িটির ভেতরে ঢুকতেই র‌্যাব কর্মকর্তাদের যেন পিলে চমকানো অবস্থা। এ যেন বাড়ি নয়, রাজপ্রাসাদে অভিযান। বাড়ির নিচতলায় হাজী সেলিমের বাবা-মায়ের ছবি টানানো।

নিচতলায় সিঁড়ির পাশেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিভাইস বসানো। এখানে ফিঙ্গারের ছাপ দেয়া ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হতো না। সেখান থেকে বাড়ির চতুর্থতলায় ঢুকে র‌্যাব সদস্যদের চোখ ছানাবড়া।

এই ফ্লোরের একটি কক্ষে ঢুকে দেখা মেলে বিশাল একটি কন্ট্রোল রুমের। দেখে মনে হয় যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। কী নেই সেখানে?

আশপাশের অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকা তদারকির জন্য ছিল ওয়াকিটকি, মোবাইল ট্র্যাকিং এড়াতে ভিপিএস সেট, নেশার জন্য বিদেশি মদের বোতলের বক্স, গান শুনতে সাউন্ড বক্স, কলের গান, গানের সঙ্গে মিউজিক বাজাতে রয়েছে একটি গিটার।

আশপাশের এলাকা তদারকির জন্য কক্ষের বারান্দায় ছিল অত্যাধুনিক সোনালি রঙের একটি দূরবীন ও সঙ্গে বহনের জন্য একটি ছোট দূরবীন। ছিল ড্রোন ক্যামেরা এবং হ্যান্ডকাফও।

তৃতীয় তলার একটি কক্ষের বিছানার ম্যাট্রেস উঠানোর পরই দেখা যায় গুলিভর্তি একটি বিদেশি অবৈধ পিস্তল আর বিভিন্ন পরিচয়পত্র।

সরেজমিন দেখা গেছে, কারুকার্যময় বাড়িটি আধুনিক ও নান্দনিকতার মিশেলে তৈরি। গেটের সামনে মানুষের ভিড়। বাড়িটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সাধারণ কোনো বাড়ির মতো নয়।

প্রযুক্তি যাচাইয়ের পরই ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। বাড়ির চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় যেখানে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এই দুই তলায় ওঠার জায়গায় সুরক্ষিত দরজা। পঞ্চম তলার কক্ষটিতে এরফান ও তার স্ত্রীর ছবি রয়েছে।

এ কক্ষে ইরফানের দাদার রেখে যাওয়া একটি কাঠের আলমারি রয়েছে। সেখানে এক পাশে ডিজাইন সংবলিত বিভিন্ন পোশাক দেখা গেছে।

ভবন ঘুরে দেখা গেছে, ভবনের মূল সিঁড়ির বাইরে কাঠের আলাদা সিঁড়ি রয়েছে। পঞ্চম তলায় পুরো কক্ষে লাগানো সাদা টাইলস। সেখানে কাঠের আলমারি। সোনালি রঙের নান্দনিক শৈলীর দরজা।

পাশের কক্ষে একটি কালো রঙের ভাস্কর্য দেখা গেছে। ওই কক্ষে একটি কাঠের বাক্সে ৫টি মদের বোতল ছিল। সেখানে কলের গানের সরঞ্জামও দেখা গেছে। পুরো কক্ষ উন্নতমানের লাইট দিয়ে সুসজ্জিত। রয়েছে উন্নতমানের সাউন্ড সিস্টেম।

অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, এসব অস্ত্র ও হ্যান্ডকাফের বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ইরফান সেলিম। আমাদের ধারণা, এগুলো দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতেন।

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool

ksrm320 x 100

Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here